করোনা আজীবন থাকবে না। রমজান মাস রহমতের মাস। রহমত আর গজব এক সাথে চলতে পারে না। আমরা মুসলমান হিসাবে আশা করতে পারি আল্লাহ পৃথিবীবাসীদের মাফ করে দিবেন ইনশাল্লাহ। করোনা পরবর্তী সময়ে আমাদের কি করা উচিৎ। কবির ভাষায় বলা যায়ঃ
যা কর তা করোনা,
তবেই হবে না করোনা।
সমাজের উপর পরবর্তী সময়ে অর্থনীতির উপর চাপ বারবে। অর্থনীতিবীদরা বলবেন কি কি হবে। কিন্তু আমি বলতে চাচ্ছি কি কি করা যেতে পারে।
০১. অনেকে বলছেন বাড়িভাড়া মওকুফ করতে। আমিও ভাড়া থাকি। এমন অবস্থায় আমি এবং আমার মত অনেকে বেতন পাবেন। সুতরাং আমাদের ভাড়া দেওয়া উচিৎ। আর ভাড়া মওকুফ করা উচিৎ তাদের যারা ছোট্ট দোকানদার, ছোট্ট ব্যবসাহী। তাদের দোকান ভাড়া এবং বাড়ি ভাড়া মওকুফ করা উচিৎ। যদি সম্ভব হয় তাদের এক বা দুই বছর কর মুক্তি দেওয়া উচিৎ।
০২. অনেক বাড়িওয়ালার আর কোন আয় নেই। হয়ত সামান্য বাড়ি ভাড়ার টাকায় তা সংসার চলে নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার। তাদের ভাড়াটিয়ারাও নিম্নআয়ের মানুষ। এদের অনুদান দেওয়া যেতে পারে।
০৩. নতুন বিনিয়োগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। যা অর্থনীতির জন্য অনেক বেশি ক্ষতি কর হবে। এই অবস্থায় আমাদের নতুন বিনিয়োগকরীদের উৎসাহীত করা উচিৎ। তাদের উৎসাহিত করার জন্য কিছু সুবিধা দেওয়া যেতে পারে যেমনঃ ঋণ দেওয়া, কর মুক্তি দেওয়া, বিনামুল্যে মেধা সম্পত্তি অধিকার দেওয়া ইত্যাদি।
০৪. অর্থনীতিকে বাচানোর জন্যে তিনটা জিনিষ প্রয়োজন। একঃ খরচ বাড়ান, দুইঃ রপ্তানী বাড়ান এবং তিনঃ আন্তর্জাতিক পর্যটক বাড়ানো। কিন্তু ঐসময় কি এর কোনটা বাড়ান সম্ভব? সময়টাতে অন্তর্জাতিক মন্দা চলবে। সব সম্ভব কিন্তু চিন্তা করতে হবে কিভাবে সম্ভব। আসেন আমরা সবাই চিন্তা করি এবং নীচে মতামত প্রদান করি।
০৫. বাংলাদেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ পরিবার কেন্দ্রিক চিন্তা করে। নিজের জন্য কিছু করতে চায় না আগে পরিবারের জন্য করতে চায়। এই ক্ষেত্রে আমাদের এই পারিবারিক চিন্তাটাকে দেশ কেন্দ্রিক করা প্রয়োজন।
সফলতা আসবেই ইনশাল্লাহ।
No comments:
Post a Comment